হবিগঞ্জে মিরপুর গার্লস উচ্চবিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে হাত পা বেধে ধর্ষণ।

1,290

আব্দুর হামিদ:: হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় চুনারুঘাট থানার দারাগাওয়ে(পাকা লাইনের) মৃত পরেশ সাওতাল চা শ্রমিকের মেয়ে সৃতি সাওতাল (১৪) অষ্টম শ্রেণী জে সি পরিক্ষারতী ছিলেন।

মা মিনা সাওতাল বাগানে কাজ করেন, তার পক্ষে মেয়ের লেখা পড়ার খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পরে তাই সৃতি জে সি পরিক্ষা দিতে পারেনি। গত ১৬ জুন মঙ্গলবার পরিবারের লোকজন কাজে থাকায় বাড়ীতে একা পেয়ে দুপুর আনুমানিক ১টার সময় সৃতি সাওতাল কে হাত পা মুখ দড়ি দিয়ে বেদে অমানুষীক ভাবে নির্যাতন করে ধর্ষণ করে বিপেশ বুনারজী (৪০)। তাকে সহযোগিতা করেন দিপাল ( ৩৫)বুলু গোয়ালা (২৭)।

দিন দুপুরে নিজ ঘরে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে হত্যা করার চেষ্টা করে দূর্বত্তরা। কাজের শেষে আনুমানিক ৩টার দিখে বাড়ী ফিরেন মা মিনা সাওতাল এসে মেয়ে কে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন মেয়ের হাত পায়ের বাদন খুলেদেন। পরে মা ঘটনাটি দারাগাও ৮নং ইউ পি সদস্য জনাব মাহবুব আলীকে বিষয়টি জানান, উনি বলেন আমরা উপযুক্ত বিচার করে তার সমাধান করে দিব। ধর্ষিতার মা জানান আমার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে তারা আর ও বলেন এই ঘটনাটি অন্য কাউকে না বলতে বিপেশ বুনারর্জী লোকজন বলে প্রশাসনিক বা অন্য কাউকে বললে তারা আমাকে এই গ্রাম থেকে বিতাড়িত করে দিবে। পরে আমি ভয়ে আর কাউকে কোন কিছু বলি নাই দিন ঘনিয়ে আসলে দু’একদিনের মধ্যেই মেয়ের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে এমনতো অবস্থায় মেয়েকে নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

এ খবর শুনে বিপেশ বুনারজী ধর্ষণকারী পরিবারের লোকেরা আমার পরিবারের উপর বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করে তাড়াতাড়ি হাসপাতাল থেকে বাড়িতে চলে আসার জন্য। এমতাবস্থায় বাপ হারা মেয়েদেরকে নিয়ে এখন আমি কোথায় যাব কার কাছে যাব এই বলে কান্নাকাটি করেন প্রশাসনিক, চেয়ারম্যান-মেম্বারহ সকলের সহযোগিতা চাই। ধসিতা সৃতি সাতাল সাংবাদিকে জানান, আমি ঘরে একা ছিলাম হটাৎ করে তিন জন আমার ঘরে ডুকে পরে বুনারজী ছেলে বিপেন বুনারজী বলে ঘরে কেউ নাই, দিপাল,বুলু গোয়ালা আমাকে মারধর করে হাত পা মুখ বেধে ঘরের বাহিরে চলে যায় তারা পর বিপেশ বুনার্জী আমাকে ধর্ষণ করে এর বিচার চাই ।

সাংবাদিকরা এর খবর পেয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদাল আহমেদ এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে উনি জানান মারধর করছে শুনছি কিন্তু ধষর্ণ হয়েছি কিনা তা আমি জানিনা মেম্বার মাহমুদ ও মহিলা মেম্বার অনিমা ও গ্রামের মুরব্বী মানিক গোয়ালা উপস্থিতসহ অনেকেই ছিলেন ধর্ষিতার বাড়িতে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা শুনে ধর্ষিতা মেয়েটি কান্না করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বলে আমাকে ধর্ষন করা হয়েছে কিনা আপনারা যে কোন জায়গায় আমাকে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন এই ছেলে আমাকে ধর্ষণ করেছে কিনা। না হলে উপযুক্ত বিচার করবেন আমার।

আমার বাবা নেই বলে আমি এতিম তাই আজ আমার কথা কেউ শুনে না তারপর চেয়ারম্যান আচ্ছা শুনু বিচার করা হবে এই বলে সবাইকে সান্তনা দিয়ে চলে গেলেন। বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাপাতাল চিকিৎসাদিন অবস্থায়া আছেন ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী সৃতি সাওতাল পরিবারের লোকদের পক্ষে চিকিৎসার টাকা দেবার সামর্থ্য না থাকায় মানুষে কাছ থেকে চাঁদা তুলে চিকিৎসার খরচ বহন করছেন।