গ্রামীণফোনকে নিয়ে ভুল তথ্য চলে যাবে বিশ্ব বিনিয়োগ সমাজের কাছে

14

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:: গ্রামীণফোন অফিসে যেতে সবসময়ই আমার ভাল্লাগে। কারণ মূলত দুটি- ১) গ্রামীণফোনে সম্ভবত দেশের সবচেয়ে মেধাবী কিছু পেশাজীবি কাজ করেন, তাদের কথা শুনলেও আমি সমাজ ও অর্থনীতির বিভিন্ন রুপান্তর নিয়ে বেশ কিছু শিখতে পারি ২) ওখানে আইবিএ এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার অনেকগুলো ছাত্র-ছাত্রী কাজ করে।

আমার মতো একজন সাধারণ শিক্ষকের জন্য তাদের সাথে কথা-বার্তা বিরাট আনন্দের। তার বাইরে গ্রামীণফোন শুরু থেকেই আমার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সন্মানিত গ্রাহক। প্রতিষ্ঠানটির অনেক ‘প্রথম ঘটনা’ বা সাফল্যের সাথে জড়িত থাকা ছিলো অত্যন্ত প্রীতিকর।

সম্পর্কিত খবর

আজ গিয়েছিলাম অনেকদিন পর গ্রামীণফোন প্রধান কার্যালয়ে।

অনেক ক’জন ছাত্রদের সাথে দেখা হলো ঢোকার মুখে এবং লিফটে। তারা কেমন যেন দুঃখিত হয়ে আছে, সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে। যেনো বিনা দোষে অপরাধী। তারা প্রত্যেকেই প্রশংসা করলো প্রতিষ্ঠানটির দরদী, অভিনব গ্রাহকসেবা এবং দেশের ভালো করার মনোভাবের। তাদের অনেকের ধারণা সরকারের কেউ কেউ না বুঝে এই মহীরুহ প্রতিষ্ঠানটির, তার কর্মকর্তা, গ্রাহক এবং অংশীজনদের ক্ষতি করছেন। কারো না কারো উচিত ছিলো মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া। তা না হলে ভুল তথ্য চলে যাবে বিশ্ব বিনিয়োগ সমাজের কাছে।

আমি তাদের হার্ভার্ড, কেলগ আর লন্ডন বিজনেস স্কুলের সেরা অধ্যাপকদের উল্লেখ করে বলেছি- অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে একটি প্রতিষ্ঠানকে গ্লোবাল ব্র‍্যান্ড হয়ে উঠতে হয়। সবাইকে একসাথে থাকতে হবে, একযোগে কাজ করে যেতে হবে, সকল গ্রাহকের সন্তুষ্টি নিয়ে।